VideoViral Video

ভাগ্যের পরিহাস! কম্পিউটার সায়েন্সে গ্র্যাজুয়েট হয়েও মহিলা আজ ভিখারি, অনর্গল কথা বলছেন ইংরেজিতে, ভাইরাল ভিডিও

রাস্তা-ঘাটে, ফুটপাতে, রেল স্টেশনে আমরা অনেক গৃহহীন মানুষদের দেখতে পায়। যারা ভিক্ষে করে নয়তো মানুষের দয়ায় দিন গুজরান করে। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন, এই মানুষগুলোর কি সত্যিই কখনও বাড়ি ছিল না? বহুসময় এমন বহু ঘটনা উঠে এসেছে, যেখান থেকে জানা গেছে বৃদ্ধ মা অথবা বাবাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে ছেলে-মেয়েরা। যে কারণে ফুটপাতই এখন তাদের ভরসা।

 

তবে, সম্প্রতি এক ঘটনা সামনে এসেছে যা সম্পূর্ন আলাদা। নিজের অক্ষমতা বুঝতে পেরে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে স্বইচ্ছায় ফুটপাতবাসী হয়েছেন এই মহিলা। মহিলাটির নাম স্বাতী (Swati)। দক্ষিণ ভারতের এই মহিলা ৩ বছর আগে চলে এসেছে উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে (Varanasi)। সেখানে ঘাটের পাশে বসে থাকেন। ঘাটে আসা ভক্তরা যা খাবার ও কাপড় দেয় তা দিয়ে কোনরকম কেটে যাচ্ছে তার।

কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, স্বাতী কিন্তু ভিখারী নয়। বরং সে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে স্নাতক করেছে। আর পাঁচটা মানুষের মতোই স্বাভাবিক জীবন ছিল তার। বিয়ে হয়েছিল, বেশ সুখে সংসারও করছিল। কিন্তু একটি সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তার শরীরের ডানদিকের অংশ অবশ হয়ে যায়। ফলে সে নিজেকে পরিবারের বোঝা ভাবতে শুরু করে এবং কাউকে কিছু না জানিয়েই বাড়ি ছেড়ে চলে আসে।

BHU-এর ছাত্র অবনীশ বারাণসীতে এই মহিলার দেখা পান। আর তারপর সেই মহিলা অর্থাৎ স্বাতীর সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি দেখেন সে সুন্দর ইংরেজিতে কথা বলছে। যা অবাক করে অবনীশকে। স্বাতী বলেছে – সে ইংরেজিতে কথা বলার কারণে মানুষে তাকে পাগল ভাবে। তাই সে কারও সঙ্গে কথা না বলে নিজের মতোই চুপচাপ থাকে।

সফটওয়্যার নিয়ে নাকি স্বাতীর খুব ভালো নলেজ ছিল। কম্পিউটার চালাতেও জানে সে। এছাড়া ইংরেজিতে টাইপ করার দক্ষতাও রয়েছে ভালো। কিন্তু শরীরের একদিকের অংশ অবশ হয়ে যাওয়ায় কোনো চাকরিতে আবেদন করা হয়নি স্বাতীর। আর বারাণসীতে আসার পর এইভাবে জীবনযাপনের ফলে তার শরীরের অবস্থা আরোই খারাপ হয়ে যায়। স্বাতী বলেছে – মানুষের দেওয়া খাবার ও কাপড়ে তার চলে যাচ্ছে। কিন্তু একটা চাকরি পেলে সে বাঁচার একটা নতুন দিশা পাবে।

 

Related Articles

Back to top button