×
Recipes

পৌষ সংক্রান্তিতে বানিয়ে ফেলুন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মুখশলা পিঠা, একবার খেলে প্রেমে পড়ে যাবেন

আজ পৌষ সংক্রান্তি। আর এই দিনে গ্রাম বাংলায় অনেক রকমের পিঠের রেসিপি রয়েছে যার স্বাদ মুখে বলে বোঝানোর নয়। আর তেমনই একটি পিঠে হল ‘মুখশলা পিঠা’। অনেকেই এই পিঠে বানিয়ে খেয়েছেন আবার অনেকেই খাননি। তবে, যারা খাননি তাঁদের কাছে অনুরোধ রইল একবার বানিয়ে দেখুন। অসম্ভব লোভনীয় স্বাদের এই পিঠা বাড়িতেই বানিয়ে ফেলা যায় সহজেই। চলুন তবে দেখে নেওয়া যাক কিভাবে বানাবেন।

‘মুখশলা পিঠা’ বানানোর উপকরণ:

১.চালের গুঁড়ো
২.আখের গুড়
৩.নারকেল কোরা
৪.দুধ
৫.চিনি
৬.ঘি
৭.সাদা তেল

‘মুখশলা পিঠা’ বানানোর প্রণালী

স্টেপ-১

পৌষ সংক্রান্তিতে বানিয়ে ফেলুন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মুখশলা পিঠা, একবার খেলে প্রেমে পড়ে যাবেন -

প্রথমেই গ্যাসে একটি কড়াই বসিয়ে তারমধ্যে ১/২ কাপ চালের গুঁড়ো দিয়ে দিতে হবে। এরপর মিনিট দুয়েক হালকা করে ভেজে নিতে হবে। তারপর নামিয়ে নিতে হবে।

স্টেপ-২

পৌষ সংক্রান্তিতে বানিয়ে ফেলুন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মুখশলা পিঠা, একবার খেলে প্রেমে পড়ে যাবেন -

এরপর আবারও গ্যাসে কড়াই বসিয়ে ১ কাপ জল দিয়ে ভালো করে গরম করে নিতে হবে। তারপর সামান্য নুন দিয়ে পরিমাণ মতো আখের গুড়, সামান্য তেল দিয়ে ভালো করে জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে।

স্টেপ-৩

পৌষ সংক্রান্তিতে বানিয়ে ফেলুন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মুখশলা পিঠা, একবার খেলে প্রেমে পড়ে যাবেন -

এবার ভেজে রাখা চালের গুঁড়ো ওই মিশ্রনে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে একটি ডো করে নিতে হবে। এরপর নামিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।

স্টেপ-৪

পৌষ সংক্রান্তিতে বানিয়ে ফেলুন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মুখশলা পিঠা, একবার খেলে প্রেমে পড়ে যাবেন -

তারপর গ্যাসে কড়াই বসিয়ে কিছুটা নারকেল কোরা আর সেই মতো চিনি দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নিতে হবে।এরপর নামিয়ে পুর ঠান্ডা করে নিতে হবে।

স্টেপ-৫

এবার মণ্ডটাকে আবারও মিনিট দুয়েক মোথে নিতে হবে। তারপর কিছুটা লেচি কেটে নিয়ে প্রথমে পুর ভরে পুলি পিঠের মতো গড়ে নিয়ে মুখশলা পিঠের শেপ দিতে হবে।

স্টেপ-৬

পৌষ সংক্রান্তিতে বানিয়ে ফেলুন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মুখশলা পিঠা, একবার খেলে প্রেমে পড়ে যাবেন -

এরপর কড়াইতে বেশ খানিকটা সাদা তেল গরম করে নিতে হবে। তারপর পিঠে গুলো দিয়ে লাল লাল করে ভেজে নিলেই একেবারে তৈরি লোভনীয় স্বাদের ‘মুখশলা পিঠা’।