×
Lifestyle

লাগবে না জমি, বাড়ির ছাদে ঝুড়িতেই চাষ করুন কলমি শাক, শিখে নিন সহজ পদ্ধতি

কলমি শাক হজমে সাহায্য করে, রক্তে হিমোগ্লোবিনের অনুপাত ঠিক রাখে। এছাড়াও কলমি শাকে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম রয়েছে।

আজকালকার দিনে মানুষজন তেমন একটা শাক খান না। তবে শাকপাতা খাওয়া যে কতটা উপকারী শরীরের জন্য তা আশাকরি কাউকে বলে দেওয়ার নয়। আর তারমধ্যে কলমি শাক হল এমন একটি শাক যা খুব উপকারী। কোনোরকম ঝক্কি-ঝামেলা ছাড়াই কিভাবে এই গাছ চাষ করা যায় বাড়িতেই আজ সেটাই বলবো। প্রথমেই বলে রাখি যে, কলমি শাকের কিন্তু প্রচুর পুষ্টি গুন।

এই শাক চোখ ভালো রাখে। হজমে সাহায্য করে, রক্তে হিমোগ্লোবিনের অনুপাত ঠিক রাখে। এছাড়াও কলমি শাকে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম রয়েছে। যা হাড় মজবুত করে। এমনকি এতে এন্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এমনকি মায়ের বুকের দুধ কম থাকলে কলমি শাক খেলে দুধ বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও চোখের জন্য এই শাক খুব ভালো ও রাতকানা রোগ সেরে যায় কলমি শাক খেলে। তাহলে বুঝতেই পারছেন নিশ্চই কলমি শাকের কত গুন।

ADVERTISEMENT

চলুন তবে দেখে নেওয়া যাক কিভাবে বাড়িতেই চাষ করবেন এই গাছ

প্রথমেই একটি ঝুড়ির মাঝখানটা সেলুটেপ দিয়ে আটকে নিতে হবে। এরপর যথাযথ ভাবে মাটি ভরে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, ৫০ শতাংশ বেলে মাটি, ৫০ শতাংশ গোবর সার, ১ গ্লাস খোল গুঁড়ো সবকিছুকে একসঙ্গে মিশিয়ে মাটিটাকে তৈরি করে নিতে হবে। আর তারপর আগের দিন রাতে ভিজিয়ে রাখা কলমী শাকের বীজ গুলোকে মাটির উপর ছড়িয়ে দিতে হবে।

এরপর আবারও কিছুটা মাটি দিয়ে বীজ গুলোকে ঢেকে দিতে হবে। তারপর জল দিয়ে দিতে হবে। এরপর ৩ থেকে ৫ দিন পর দেখতে পাবেন চারা থেকে গাছ ব্রেরিয়েছে। ২০ দিন পর তা আরও বড় হয়ে যাবে। আর তখন খোল ভেজানো জল দিয়ে দিতে হবে। এরপর ২৩ দিনের মাথায় এই শাক আপনি তুলে নিয়ে রান্না করে খেতে পারবেন।

তবে, মাথায় রাখবেন যাদের কিডনিতে পাথর আছে এমনকি যেসব মানুষ ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভোগেন তারা কিন্তু কলমি শাক একেবারেই খাবেন না।