×
Lifestyle

ফিটকিরির এত গুন, যা দামী ঔষধকেও হার মানাবে, জানুন কার্যকারিতা

ছেলেরা শেভিং করার পর ফিটকারি তো লাগিয়ে থাকেন। কিন্তু এই ফিটকারির আরও কত যে গুণ আছে জানা আছে কি? বলা যেতে পারে, এই ফিটকারি মহৌষধি হিসেবে কাজ করে। ফিটকারির রয়েছে চমৎকার সব ব্যাবহার। জেনে নিন সেইসমস্ত চমৎকার সব ব্যাবহার।

যদি দাঁতে ব্যথা হয়, দাঁত থেকে রক্ত পরে দাঁত যদি নড়ে, মারি ফুলে যায় তাহলে সামান্য ফিটকারির গুঁড়ো লাগালে প্রভৃতি সমস্যা দুর হয়। তবে এক্ষেত্রে কিন্তু সামান্য পরিমাণ ফিটকারির গুঁড়ো নিতে হবে।

ADVERTISEMENT

নাক থেকে রক্ত বন্ধ করতে একটি প্লেটে গরুর দুধের সাথে সামান্য পরিমাণ ফিটকারির মিশিয়ে লাগালে রক্ত পরা বন্ধ হয়ে যায়।

যদি কেউ অতিরিক্ত মদ্যপান করে বেহুস হয়ে পরে তাহলে তার হুস ফেরাতে ৫ গ্রাম ফিটকারির গুঁড়ো জলে মিশিয়ে খাওয়ালে হ্যাঙ্গোভার কেটে যাবে।

যদি নারী বা পুরুষের গোপনাঙ্গে চুলকানির সমস্যা থাকে তাহলে জলের মধ্যে সামান্য ফিটকারির গুঁড়ো মিশিয়ে সেই জায়গা ধুয়ে নিলে চুলকানির সমস্যা চলে যাবে।

আপনারা হয়তো দেখেছেন, অনেকেরই হাত পা ঘামে। এক্ষেত্রেও যদি জলের মধ্যে ফিটকারির গুঁড়ো মিশিয়ে হাত পা ধুয়ে নেওয়া যায় তবে এই সমস্যা চলে যায়।

অনেক সময় হঠাৎ করে শরীরের কোনো অঙ্গ কেটে গেলে সেই জায়গায় সামান্য ফিটকারির গুঁড়ো লাগিয়ে দিলে রক্ত পরা বন্ধ হয়ে যায়।

কাশি হলে মধুর সাথে হাফ গ্রাম মধু মিশিয়ে খেলে কাশি থেমে যায়। দাঁতে পোকা হলে বা মুখ দিয়ে দুর্গন্ধ বেরোলে গরম জলে ফিটকারির গুঁড়ো মিশিয়ে কুলকুচি করলে ঠিক হয়ে যায়।

দাদ, হাজা, চুলকানির ক্ষেত্রে লেবুর মধ্যে সামান্য ফিটকারির গুঁড়ো দিয়ে সেই জায়গায় লাগালেই দাদ, হাজা, চুলকানির সমস্যা দূর হয়ে যায়।

গলা ব্যাথা বা টনসিলের সমস্যা থাকলে এক গ্লাস গরম জলে সামান্য ফিটকারির গুঁড়ো এবং এরই সাথে নুন মিশিয়ে গারগিল করলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

মাথায় উকুন হলে জলে ১০ গ্রাম ফিটকারি মিশিয়ে কয়েকবার মাথা ধুয়ে নিলে উকুনের সমস্যা চলে যায়।

ফিটকারির এত সব ভালো গুণের সাথে কিন্তু কিছু খারাপ গুনও রয়েছে। ফিটকারির বাহ্যিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হয় না। তবে কোনো কারণে ফিটকারি খেতে হলে তা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাওয়াই ভালো। কারণ ফিটকারির গুঁড়ো বেশি প্রয়োগ করলে শরীরের ক্ষতি করতে পারে।

ADVERTISEMENT

Related Articles