×
Lifestyle

শীতকালে গরম দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে, এই স-মস্যাগু-লি থেকে পুরো-পুরি মুক্তি পাবেন

খেজুর খুবই সুস্বাদু একটি ড্রাই ফ্রুট। এটি খেতে প্রায় সকলেই পছন্দ করে থাকেন। এই ড্রাই ফ্রুটটি লাড্ডাস, খির সহ নানান খাবারে ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। খেঁজুর খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনই এর উপকারিতাও রয়েছে প্রচুর। দুধের সাথে এটি দিয়ে খেলে আরো বেশি উপকার পাওয়া যায়। খেঁজুরে থাকা ভিটামিন-এ এবং বি বহু রোগের বিরুদ্ধে লড়তে সহায়তা করে। খেজুর গরম দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে তা দেহে শক্তি জোগায়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দিনে অন্তত একবার খেজুর খাওয়া উচিত। এটি করে আপনি 6 মাসের মধ্যে ফলাফল পাবেন। খেজুরের একটি প্রাকৃতিক মিষ্টি রয়েছে, যা থেকে কোনও ক্ষতি হওয়ার ভয় নেই। চলুন জেনে নেওয়া যাক খেজুরের কিছু উপকারিতা।

হাঁপানি থেকে মুক্তি:
খেজুর খেলে হাঁপানি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। রোজ ২টি থেকে ৪ টি খেজুরের বিচি বের করে দুধে সিদ্ধ করুন। সেদ্ধ করে খেজুর খান এবং দুধ পান করুন। এটি ধীরে ধীরে শ্লেষ্মা সরিয়ে দেয়, যা হাঁপানিতে স্বস্তি দেয়। খেজুর খেলে ফুসফুস এবং হার্টের উপকার হয়।

ADVERTISEMENT

প্রস্রাবের সমস্যা দুর হয়:
খেজুর খেলে প্রস্রাবের সমস্যাও দূর হয়। 300 গ্রাম দুধে ৩ টি খেজুর সিদ্ধ করুন। এরপর খেজুর খেয়ে দুধ পান করলে ঘন ঘন প্রস্রাবের সমস্যাও চলে যায়। কিছু বাচ্চাদের রাতে বিছানায় প্রস্রাব করার অভ্যাস রয়েছে। এক্ষেত্রে যদি প্রতিদিন ২ টি খেজুর দুধের সাথে দিয়ে বাচ্চাকে প্রতি রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে খাওয়ান, তাহলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। এমনকি ঘন ঘন প্রস্রাব পাওয়াও বন্ধ হবে।

মাসিকের ব্যথার উপশম:
মহিলাদের প্রতি মাসেই মাসিক ব্যথা ভোগ করতে হয়। এইসময় মহিলাদের পেটে, পিঠ ও কোমরের ব্যথার পাশাপাশি পায়ের আঁচিল হয়। এমন পরিস্থিতিতে নিয়মিত গরম দুধের সাথে খেজুর খেলে উপশম হয়।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে:
খেজুর কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও খুব উপযোগী। ২-৪টি খেজুর নিন এবং দুধের সাথে সিদ্ধ করে খান। চিনি মিশ্রিত করুন এবং যে দুধ অবশিষ্ট রয়েছে তা পান করুন। আপনি যদি প্রতিদিন সকালে এবং সন্ধ্যায় এটি গ্রহণ করেন তাহলে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা চলে যাবে।

তো জেনে গেলেন তো দুধের সাথে খেজুর খাওয়ার কত উপকার। তাহলে আর কি নিয়মিত খেজুর খান দুধের সাথে।

ADVERTISEMENT

Related Articles