Entertainment

চাকচিক্য নেই, আড়ম্বর নেই, কিন্তু মায়ের মতো! ঐন্দ্রিলার আবদার রাখতে ঠাকুর দেখাতে নিয়ে গেলেন ‘বামাক্ষ্যাপা’ সব্যসাচী

টলিপাড়ার ওলিতে গলিতে কান পাতলেই যখন শোনা যাচ্ছে সম্পর্ক ভাঙনের কথা। সেখানে যেন ব্যতিক্রম এই জুটি। শুধু সুখের দিন নয়, দুঃখেও যে পাশে থাকে সেই তো আসল সঙ্গী। প্রকৃত প্রেমিক, প্রকৃত ভালোবাসা। হ্যাঁ, কথা হচ্ছে সব্যসাচী ও ঐন্দ্রিলাকে নিয়ে।

সব্যসাচী চৌধুরী ও ঐন্দ্রিলা শর্মা

সব্যসাচী চৌধুরী (Sabyasachi Chowdhury) ও ঐন্দ্রিলা শর্মা (Aindrila Sharma) দুজনেই বাংলা টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ। তারই সঙ্গে তাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ায় খুবই জনপ্রিয়। বর্তমানে যেখানে অতি তুচ্ছ কারণে মানুষ সম্পর্ক ভেঙে আলাদা হয়ে যাচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতেই ভালোবাসলে কিভাবে আগলে রাখতে হয় তাঁর প্রকৃত উদাহরন এই জুটি।

সব্যসাচী চৌধুরী ও ঐন্দ্রিলা শর্মা

ক্যান্সার আক্রান্ত ঐন্দ্রিলার শারীরিক অবস্থা নিয়ে প্রতি মাসেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আপডেট দিয়ে থাকেন পর্দার বামাক্ষ্যাপা ওরফে সব্যসাচী (Sabyasachi Chowdhury)। অভিনেতার বিশ্বাস রূপকথার গল্পের মতোই পুড়ে যাওয়া ছাই থেকে ঠিকই উঠে আসবে তাঁর ‘ফিনিক্স পাখি’ ঐন্দ্রিলা। এই দিনগুলোতে একটু বেশি করেই আগলে রাখছেন প্রেমিকাকে। পূরণ করছেন প্রেমিকার সব আবদার।

সব্যসাচী চৌধুরী ও ঐন্দ্রিলা শর্মা

ঐন্দ্রিলার (Aindrila Sharma) আবদার ছিল পুজোর ছুটিতে যাওয়ার আগে তাঁকে ঠাকুর দেখাতে নিয়ে যেতে হবে। প্রেমিকার সেই ইচ্ছেও পূরণ করলেন সব্যসাচী। মা দুর্গার মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) পোস্ট করে অভিনেতা লিখলেন,

 

 

“বায়না করেছিল যে পুজোর ছুটিতে আমি বাড়ি যাওয়ার আগে একটা ঠাকুর দেখাতেই হবে। ঐন্দ্রিলার শরীর একটু ভালো থাকাতে, ভয়ে ভয়ে নিয়ে গিয়েছিলাম দক্ষিণ কলকাতার দুই নামকরা পূজা মণ্ডপে। অজস্র মানুষের মিছিল, ব্যারিকেড আর ‘নো পার্কিং’ এর স্রোতে ঘেমেনেয়ে হতাশ হয়ে বললো ‘ধুর, বাড়ি নিয়ে চলো, ঠাকুরকেই তো দেখতে পাচ্ছি না।’

ফেরার পথে এক অচেনা পাড়ার মোড়ে এই ক্ষুদ্র নামহীন প্যান্ডেলটি দেখে একেবারে সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। মধ্যরাতে, মানুষ তো দূরের কথা, কাক পক্ষীও নেই। তবে এই বিগ্রহের কোনো থিম নেই, চাকচিক্য নেই, আড়ম্বর নেই। বড়ই সাদামাটা, বড়ই আটপৌরে, ঠিক যেন মায়ের মতন”।

 

Related Articles

Back to top button