×
Entertainment

‘দিদি নম্বর ১’-এর মঞ্চে চোখের জলে ‘স্মার্ট দিদি’ নন্দিনী! ট্রোলের ঝড় সোশ্যাল মিডিয়ায়

রানু মন্ডল থেকে ভুবন বাদ্যকর সবাই নিজেদের পরিচিতি পেয়েছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিদিনই কোনো না কোনো মানুষকে ফেমাস করে তোলে। যেমন সম্প্রতি ট্রেন্ডিং-এ আছে ‘স্মার্ট দিদি’ কিংবা ‘নন্দিনী ম্যাডাম’। আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কার কথা বলা হচ্ছে। ডালহৌসি পাড়ায় রাস্তার পাশে মা ও বাবার সাথে পিস হোটেল চালান নন্দিনী ওরফে মমতা গঙ্গোপাধ্যায়।

'দিদি নম্বর ১'-এর মঞ্চে চোখের জলে 'স্মার্ট দিদি' নন্দিনী! ট্রোলের ঝড় সোশ্যাল মিডিয়ায় -

এবার তিনি হাজির হয়েছে ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’-এর স্টেজে। যেখানে তার জীবনের বিভিন্ন সময়ের গল্প সরাসরি রচনা ব্যানার্জীর (Rachana Banerjee) সামনে তুলে ধরলেন। নন্দিনী একা নন তার আরও দুই দিদি আছেন। তবে নন্দিনী এই হোটেল চালানোর দায়িত্ব নিজের কাঁধে সম্পূর্ণভাবে তুলে ধরেছেন। রচনাকে নন্দিনী জানান, “আগে প্রতিদিন দিনে ২০টার বেশি প্লেট বিক্রি হত না কিন্তু ভাইরাল হবার পর এখন ৬০-৭০ প্লেট নিমেষে শেষ হয়ে যায়।”

'দিদি নম্বর ১'-এর মঞ্চে চোখের জলে 'স্মার্ট দিদি' নন্দিনী! ট্রোলের ঝড় সোশ্যাল মিডিয়ায় -

এই প্রথমবার ওয়েস্টার্ন ছেড়ে সবুজ শাড়িতে বঙ্গ নারী হিসাবে দেখা মিললো নন্দিনীর। তিনি বলেন, নোট বন্দীর সময় বাবার রবারের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। তারপরে দুই বোন ইঞ্জিনিয়ারিং পরেছিলেন ও নন্দিনী ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে। তিনি চাকরি করতেন বাইরে। তার বাবা ডালহৌসিতে গিয়ে ২০০ টাকা রোজে চাকরি করছিল। তারপর বাবা দোকান ভাড়া নিয়ে ভাতের হোটেল খোলেন। কিন্তু তার মা অসুস্থ হয়ে যায় ও নন্দিনী কলকাতায় ফিরে এসে এই হোটেলের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে নেন।

'দিদি নম্বর ১'-এর মঞ্চে চোখের জলে 'স্মার্ট দিদি' নন্দিনী! ট্রোলের ঝড় সোশ্যাল মিডিয়ায় -

রচনাকে তাঁর ভাতের হোটেলে আসার অনুরোধও করেন নন্দিনী। কথা বলতে বলতে কার্যত চোখ ভিজে ওঠে স্মার্ট দিদির। তবে নেটিজেনরা কার্যত এই দেখে ট্রোলিং করেছেন ব্যাপক। কেউ বলেছেন -‘হাজার হাজার মেয়ে এরকম ভাতের হোটেল চালায়। কন্তু তাঁদের রূপ নেই বলে ভাইরাল হতে পারে না।’ দ্বিতীয়জন বলেছেন -‘এবার শুধু বায়োপিক বানানো বাকি আছে।’ তবে কি আবারো সোশ্যাল মিডিয়ায় জোয়ারের জলের মতো মিশে যাবে স্মার্ট দিদি। নাকি সেই জলের ভারে নিজের খুঁটি শক্ত করে পুঁতে নিতে পারবেন সারা জীবনের জন্য।