×
Entertainment

পকেটে ছিলো মাত্র ৩০ টাকা! শেষমেস ধার করে বাবার শেষকৃত্য সম্পূর্ণ করেন ফারহা খান

২০০৪ সালে বিখ্যাত ‘ম্যায় হুঁ না’ সিনেমার পরিচালক ও স্ক্রিপ্ট রাইটার তিনি। শুধু এই টুকুই নয় ‘মুন্নি বদনাম হুয়ি’ কিংবা ‘ছাইয়া ছাইয়া’ গানে নৃত্য নির্দেশনার মতো কাজ ও করেছেন। ঠিকই বুঝেছেন কথা হচ্ছে ফারহা খানকে (Farah Khan) নিয়ে। ৫৮ বছর বয়সী ফারহা নৃত্য পরিকল্পনাকারী, চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনেত্রী, টেলিভিশন উপস্থাপক যা এক কথায় পাওয়ার প্যাক বলা চলে। তবে তার কষ্টের দিনের গল্প আপনাকেও কাঁদাতে বাধ্য করবে।

পকেটে ছিলো মাত্র ৩০ টাকা! শেষমেস ধার করে বাবার শেষকৃত্য সম্পূর্ণ করেন ফারহা খান -

সম্প্রতি বিগ বস হাউজে এসেছিলেন ফারহা খান স্পেশাল গেস্ট হিসাবে। সলমান খান (Salman Khan) ও তাঁর বাবা সেলিম খানের সাথে ফারার দারুন সম্পর্ক। সেখানেই তাঁর সাফল্যের গল্পের সাথে সাথেই উঠে এসেছে দিনের পর দিন স্ট্রাগলের গল্প। ফারহা-র বাবা কামরান খান বলিউডের অন্যতম স্টান্টম্যান তথা পরিচালক ছিলেন। তবে তাঁর প্রথম ছবি ফ্লপ হয়।

পকেটে ছিলো মাত্র ৩০ টাকা! শেষমেস ধার করে বাবার শেষকৃত্য সম্পূর্ণ করেন ফারহা খান -

সেই আঘাত সামলাতে না পেরে তিনি খুব বাজে ভাবে ভেঙে পড়েন। প্রতিদিন মদ্য পান করতে থাকেন। সাথেই কোনো কাজ না করায় পরিবারের আর্থিক অবস্থা নিঃস্ব হয়ে যায়। হঠাৎ তাঁর বাবা মৃত্যু হয় যখন ফারার কাছে মাত্র ৩০ টাকা ছিল। শেষকৃত্য করার মতো টাকা না থাকায় সাহায্য চাইলেও নিজের পরিবারের থেকে কেউ এগিয়ে আসেনি। তবে সলমনের বাবা সেলিম খান সেই সময় টাকা দেয় যা নিয়ে বাবার শেষকৃত্য সম্পন্ন করে ও বাড়ি যাওয়ার সময় কিছু খাবার নিয়ে যায়।

শুধু এটুকুই নয় টাকা না থাকার জন্য এক আত্মীয়ের স্টোর রুমে ছয় বছর থেকেছেন ফারাহ। সেলিব্রিটিদেরও যে জীবনের গল্প শুনলে চোখে জল আসবে তা ফারহা খানের এই গল্প থেকেই স্পষ্ট। বর্তমানে সময় ফিরেছে এখন ৩৮০ কোটি টাকার মালিক তিনি। তবে পুরোনো সেই সময় কোনোদিনও ভোলেননি ফারহা। আর যে সাহায্য করেছিলেন তাকে সেই মানুষকে তো একদমই নয়।