×
Entertainment

শাক্যর প্রার্থনায় জ্ঞান ফিরলেও মিঠিকে মারতে হাসপাতালে হাজির আদিত্য, টানটান উত্তেজনা দর্শকমহলে

শাক্যর প্রার্থনায় জ্ঞান ফিরলো মিঠির! কিন্তু ফের মিঠিকে মারার প্ল্যান করলো আগরওয়াল। তবে, আবার এবার গুন্ডা দিয়ে নয় ডাক্তার সেজে নিজেই ঢুকেছে হাসপাতালে। ধারাবাহিকের নিয়মিত দর্শকেরা জানেন যে, শত্রুদের গুলির আঘাতে আহত মিঠি। বাড়ির মধ্যে থেকেই কিডন্যাপ করা হয় মিঠি ও শাক্যকে। আর এই পুরোটাই আগরওয়ালের প্ল্যান।

শাক্যর প্রার্থনায় জ্ঞান ফিরলেও মিঠিকে মারতে হাসপাতালে হাজির আদিত্য, টানটান উত্তেজনা দর্শকমহলে -

আর এই কিডন্যাপের পিছনে একটাই কারণ। এর সেটা হল মিঠি আসলে মিঠাই কিনা তা জানা। যেভাবে মিঠি মিঠাই সেজে মিঠাইয়ের খুনীদের ধরার জন্য সিডকে সাহায্য করে চলছে তাতে শত্রুপক্ষ খানিকটা ভয় পেয়েছে বৈকি। আগরওয়ালের মুখে পড়েও মিঠি নিজেকে বারবার মিঠাই বলেই পরিচয় দেয়। আর তাতে আগরওয়াল ভয় পেয়ে মিঠিকে মেরে ফেলার অর্ডার দেয়।

তবে, সময়মতো সিড গিয়ে পৌঁছায় গোপন ডেরায়। সবটা মোটামুটি সামলে নিলেও অবশেষে শাক্যকে বাঁচাতে গিয়ে গুলি লাগে মিঠির বুকে। সঙ্গে সঙ্গে সে লুটিয়ে পড়ে মাটিতে। তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে আনা হয়। ডাক্তার জানায় মিঠির অবস্থা খুবই সিরিয়াস। যদিও অপারেশনের পরও মিঠির জ্ঞান ফেরে না। আর এই অবস্থার জন্য মিঠির বাবা সিডকে দোষারোপ করতে থাকে।

শাক্যর প্রার্থনায় জ্ঞান ফিরলেও মিঠিকে মারতে হাসপাতালে হাজির আদিত্য, টানটান উত্তেজনা দর্শকমহলে -

যদিও শাক্য গোপালের ফুল মিঠির মাথায় ছুঁইয়ে দিতেই মিঠির জ্ঞান ফিরে আসে। কিন্তু তারপরেও আগরওয়াল মিঠিকে মারার জন্য ডাক্তার সেজে মিঠির কেবিনে ঢোকে। কেননা, মিঠির দেওয়া জবানবন্দী অনুযায়ী মিঠি নিজেকে মিঠাই বলে দাবি করেছে। আর তাই মিঠিকে মারতে অক্সিজেনের পাইপ কেটে দেয় আগরওয়াল। শ্বাসকষ্ট শুরু হয় মিঠির। যদিও যথা সময়ে সিড কেবিনে আসতেই পুরো বিষয়টি সামলে নিতে পারে।

শাক্যর প্রার্থনায় জ্ঞান ফিরলেও মিঠিকে মারতে হাসপাতালে হাজির আদিত্য, টানটান উত্তেজনা দর্শকমহলে -

ওদিকে এরই মাঝেই মুখোমুখি হয় সিড ও আগরওয়াল। কিন্তু হাসপাতালেরই এক কর্মী সিডের জেরার মুখ থেকে বাঁচিয়ে নেয় আগরওয়ালকে। এবার শুধু দেখার পালা কিভাবে সিড মিঠাই ও মিঠির উপর হামলাকারী শত্রুদের খুঁজে বের করতে পারে।