×
EntertainmentTrending

এটি সিঁদুরদান না হোলি খেলা? বিয়ে নিয়ে নেটদুনিয়ায় ট্রোলের শিকার অনির্বাণ-মধুরিমা

বর্তমানে বাঙালিদের যে সমস্ত ক্রাশ রয়েছে তাদের মধ্যে অনির্বাণ ভট্টাচার্য কিন্তু একজন। অনির্বাণ ভট্টাচার্য খোকাবাবু হোক কিংবা ব্যোমকেশ বক্সী হোক সবেতেই তিনি কিন্তু বেশি এবং তার সাথে এখন ভীষণ ভাবে ট্রেন্ডিং। তাঁর অভিনয় ,তার চিন্তাভাবনা, তার বিচার সব জায়গায় তিনি এক নাম্বার। সেরা মানুষ হিসেবে বলা যেতে পারে তাকে। নেট দুনিয়া পাগল এখন এই অনির্বাণ ভট্টাচার্যের খবর কভার করতে।

সুন্দরী রমণীদের ভিড় লেগেই থাকে এই শান্তশিষ্ট অনির্বাণের পেছনে। কিন্তু তিনি তো সবার মন ভেঙে দিলেন ।সবাই কিন্তু খুব অখুশি এই অনির্বাণ এর উপর। কিন্তু তিনিএমন কি করলেনন যে সবাই তার উপর অখুশি? আসলে ব্যাপারটা হল অনির্বাণ ভট্টাচার্যের বিয়ে। আর তাতেই মন ভেঙে গেল বাঙালি কন্যাদের।

ADVERTISEMENT

দুই হাজার কুড়ি সালের 26 শে নভেম্বর অনির্বাণ ভট্টাচার্য বিয়ে করেন তার সেই পুরনো বান্ধবী মধুরিমা গোস্বামী কে। তাদের বিয়েতে ছিলনা কোন জাঁকজমক ছিলনা ডেস্টিনেশন ওয়েডিং। খুব সাধারণভাবে রেজিস্ট্রি ম্যারেজ করেছেন দুজনে। দুজনের মধ্যেই অহংকারের লেশমাত্র নেই। বলা যেতে পারে দুজনকে একেবারে খাঁটি মানুষ। বিয়ের অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত ছিলেন খুব অল্প মানুষই। তাদের পরিবার পরিজন এবং থিয়েটার দলের কিছু মানুষ। থিয়েটার থেকে শুরু বলেই তাদের বিয়ের অ্যারেঞ্জমেন্টের থিম হয়েছিল থিয়েটার।

তবে বিয়েতে মধুরিমা সিঁদুর পরা নিয়ে অনেকে অনেক রকম ভাবে কটাক্ষ করেছেন। নববধূর সাজ ও ছিল ভীষণ ছিমছাম। মধুরিমা পড়েছিলেন সাধারণ লাল রঙের শাড়ি হাতে পায়ে আলতা আর খুব হালকা সোনার গয়না। অনির্বাণ কেও কিন্তু লাল পাঞ্জাবিতে বেশ সুন্দর লাগছিল। মধুরিমার খুব সাধারণ সেই বয়েস কাট চুল আর যার কারণে তার সাইডে সিঁথি। সেই কারণেই অনির্বাণ সাইড সিঁথিতে ই সিঁদুর পড়িয়ে ছিলেন। অনেকেই এই সাইড করে সিঁদুর পড়ার কারণে নানা রকম ভাবে কটাক্ষ করেছেন। কেউ বলেছে পাগল ,আবার কেউ বলেছে এভাবে কেউ সিঁদুর পরে নাকি, এটি সিঁদুর পরা হচ্ছে নাকি হোলি খেলা হচ্ছে। যাই হোক এইসব নিয়ে কিন্তু তাদের একদমই যায় আসে না কটাক্ষের সাথে সাথে তাদের অনুরাগীদের শুভেচ্ছার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।

ADVERTISEMENT

Related Articles